চতুর্থ মুখোশ – রঙের মনোবিজ্ঞান: সিনেমায় রঙের আবেগময় ভাষা সিনেমার চতুর্থ মুখোশটি হলো রঙের…
মানবীয় শ্রেষ্ঠত্ব কীভাবে সত্যায়ত হতে পারে? একক ব্যক্তি-মানবের শারীরিক-মানসিক-আত্মিক পুণ্যাভ-পূর্ণতা যখন তাঁর চতুষ্পার্শ্বের মানবমণ্ডলী, আন্যান্য…
১. বিষণ্ন মানুষ হয়ে যাচ্ছি তুমি হাল ধরেছো ঠিকই, শরীরের কাছাকাছি এনেছে কফির ঘ্রাণ আর…
আত্মপ্রতিকৃতি অনেক পথের চোয়ালে অনেক মারীর মুহূর্তে অনেক পান্থনিবাসে অনেক ব্যসনের খোপে অনেক মরচুয়ারিতে অনেক…
- সপ্তম শিল্পের মুখোশ: চলচ্চিত্রে শৈল্পিকতার নিরীক্ষা | এস এম কাইয়ুম [পর্ব ৪র্থ]
- বাংলা প্রবন্ধ চর্চার শৈলী-সমীক্ষণ, ‘দেশপ্রেম’- অনুষঙ্গে | ড. সন্দীপক মল্লিক
- এক গুচ্ছ কবিতা | হেমায়েত উল্লাহ ইমন
- যুগযাত্রার বিকার বা বিচ্যুতির বিবরণ | সৌম্য সালেক
- বোবা মাটির শরীর | শৈবাল নূর
- সবচেয়ে ঠান্ডা অন্ধকার | দিপংকর মারডুক
- ছেঁড়াপাতার একুশ | সোনিয়া তাসনিম
- ডেইলি পেসেঞ্জার | বিষ্ণু সরকার
admin
আমাদের বোধের সূর্য যুক্তিহীনতার চাদর মুড়ি দিয়ে চলে গেছে গভীর শীতনিদ্রায়…। আর বোধহীন আততায়ীরা নাঙা তলোয়ার হাতে আমাদের উপত্যকা ও অরণ্য জুড়ে- আনতে চলেছে মধ্যযুগীয় বর্বর চেঙ্গিস খানের অন্ধকার…! পাতাঝরা দিন এলে- চিরহরিৎ বৃক্ষের পাতারা ‘হারি-কিরি’ শেখে সবুজ খুনে ভেসে যায় আমাদের ধূসর অরণ্য! গাইয়ে পাখিরা মরে যায় অথবা চলে…
কমলাপুরের ভোর ভোরের কমলাপুরে বাতাস বইতে দেরি হয়ে যায়। পাখিরা উঠবে আগে, তারপর মাঠে মাঠে নামবে মানুষ। তিল আর তিসি, আর তার সবুজাভ ক্ষেত এখন পুরনো গল্প হয়ে বাটে বাটে ঘোরে শীতের আসার আগে ঘরে ঘরে বীজের প্রবেশ মায়েরা তখন বীজ তুলে রাখে পাটের শিকায়। কামারখালের জলে গেঁথে আছে বাঁশের…
মানুষ-মাত্রই একটা সময়ের প্রতিনিধি। যে সময়টা সে অতিক্রম করে, যে জীবন যাপন করে— তার ভেতরে আলো ফেলার মতো উপাদানের কমতি থাকে না। প্রয়োজন শুধু দেখার মতো একজোড়া চোখ। কবি-সাহিত্যিকেরা এ কারণেই নমস্য যে তারা সময়ের অলিগলিতে আলো ফেলতে জানেন। টেনে-হিঁচড়ে এমন সব ঘটনা বের করে আনেন যা সাধারণের দৃষ্টিতে হয়তো…
বুড়িগঙ্গা আবার বুড়িগঙ্গা… চাঙ্খার পুলের উঁচুতে চাঁদ- দেখবি। পকেটভর্তি অসুখ আর নৈঃশব্দ্য; বদল হতে হতে কাঁটাবন, জিরোজিরো বেইলিরোড। আরও কত কি… আয় বিয়ে করি― হানিমুনে তুমুল প্যারাডক্স হোক… পায়ের আঙুলে লিখি- তুমি + আমি। সেই হাতের লেখার মতো পাপ ভেসে যায়। সমুদ্র, পুরুষ নাকি জল আর তুই- পাখি নাকি নির্ঝর…
দ্বৈরথ তোমার আগুন ফুল ও ফণা হয়ে দুলে ওঠে— ব্যাখ্যার অতীত এই সুবাস আর ছোবলের দ্বৈরথে দাঁড়িয়ে ভাবি, উপলব্ধির এক অদৃশ্য ক্যানোলা দিয়ে কী নিপুণা, ঢুকিয়ে দিচ্ছ প্রেম— বইয়ে দিচ্ছ অপাপবিদ্ধ যৌনতার ধারা— প্রতিটি মুহূর্তে আমার কেবলই তোমাকে ইচ্ছে করে— অনিবার্য ইচ্ছে প্রবাহিত হতে থাকে কল্লোলিত ধমনীর ভেতর— আর দেখো,…
হন্তারক মানুষই বৃক্ষের হন্তারক এমন মৃত্যু বৃক্ষের কার হাতে হতে পারে আর এমন কে মুছে নিতে পারে স্নিগ্ধ শরীর থেকে সমূহ লতা-পাতা-পুষ্পিত সৌরভ কি নিদারুণ মানুষই হয়ে ওঠে বৃক্ষের পালক শৈশবের স্নেহছায়া সহসা সেই হাত সঙ্গীন হাতে উলঙ্গ নির্মম প্রশ্ন ভালোবাসা মুহুর্তেই উষ্ণতা হারিয়ে ফেটে যেতে পারে যেন পেঁজা তুলো…
রাজুকে ইশানি খুব আহ্লাদী কন্ঠে জিজ্ঞেস করে- রাজু দা বিলের অই মাঝখানে ফুটে থাকা বড় পদ্মটা আমায় এনে দিতে পারবে? তোমার সাহস আছে? রাজু কেবল স্কুল থেকে ফিরে মায়ের সাথে দেখা করতে যাচ্ছিলো ইশানিদের বাড়ি। রাজু হো হো করে হেসে ওঠে। ধুউর! এইডা তো ওয়ান – টু’র ব্যাপার। কহন তুইলা …
মাস দুই হলো নূপুর হুইলচেয়ারে। এ-রুমে ও-রুমে যাচ্ছে। যখন বিছানায় শুয়ে থাকে তখন হুইলচেয়ারটা খাটের পাশে আড়াআড়িভাবে রাখা থাকে। হুইলচেয়ারটা দেখলে মাঝে মধ্যেই নূপুরের মনটা বিষিয়ে যায়, কখনো বা দুঃখ-কষ্টে বুকটা উথলে উঠে। পা দুটো তখন যেন আরো শিরশির করতে থাকে। ওর পায়ের পাতা ধীরে ধীরে আরো শুকিয়ে যাচ্ছে। পায়ে…
কারো চঞ্চলতা যদি অসীম নিরবতাকে স্পর্শ করে তবে সে নীরবতা নেমে আসুক সমস্ত জগৎ জুড়ে। অস্তিত্বের অবগাহনে একবার ঘুরে আসুক— আমার নির্বাক ভালোবাসার পিরামিডে আশ্রিত লালিত স্বপ্ন; মখমলের আলতো পরশ ছুঁয়ে যাক অসস্পষ্ট নীলিমার একাকিত্ব; কী চঞ্চলতা আহা ! দৃষ্টির আড়ালে লুকানো স্পর্শকাতর কথাগুলো- কবিতা কিংবা গানের গল্প হয়ে ওঠতে…
বিশুষ্ক প্রান্তরের গান শোভনা, বিশুষ্ক প্রান্তরে তুমিও-কি শুষে নাও? বিনিদ্র রাতের বাসর— নিয়েছো সব রঙ আকাশের, সোনালু ফুলের আর দিগন্ত-বিহারী নীল-নীলিমার? হলুদ পোষাকের আদল পালটে যায় তোমার— খুলে ফেলো নিমিষেই উদোম সমুদ্রের মতো, পাহাড়ী-প্রদেশ ছেড়ে উড়ে এসে ধরা দাও আমার মস্তিষ্কের খিলানে? ঝড়ের তাণ্ডব ছেড়ে অসময়ে অসমীয়া মেঘ ওরে! নীল…





