১.
বিষণ্ন মানুষ হয়ে যাচ্ছি
তুমি হাল ধরেছো ঠিকই, শরীরের
কাছাকাছি এনেছে কফির ঘ্রাণ আর ঠোঁট
লুস পায়জামার ফিতা থেকে একটা কাঙ্ক্ষিত
মশকি, তোমার প্রবাহের দিকে এগোচ্ছে
তার সাথে আমার অবৈবাহিক যুদ্ধ এড়াতে
হাতদুটো বেঁধে নিতে পারতে
চোখগুলোও ঢেকে দিতে পারতে ডগায়
তোমার মাংসল মরুভূমি
তোমার মেঘ ও মেদ স্পর্শ
অনাকাঙ্ক্ষিত করেছে আমায়
তৃষ্ণার্ত রাখে আমায়
২.
এমন ছায়া
অ্যানাদার কল, লাস্ট সিন টু মিনিটস এগো
অ্যাক্টিভ নাও
তোমাকে হয়ত একটা মুহূর্ত দেয়
আমার মাথা তলিয়ে যাচ্ছে
কোনো পরিচিত যুবতীর স্তনের প্রশস্ততায়
অনায়াসে কেউ হয়ত দুপায়ের ফাঁকে
এলোমেলো চুল সমেত মাথা চেপে ধরছে
কিংবা মধ্যবয়স্ক মাংসে আমি ফেলছি
লবণের সমস্ত গুণ, অথবা কোনো তরুণী
তার নিজস্ব হেরেমে ডেকেছে আমায়
তার নাম কি ‘সন্দেহ’
নাকি ‘মুড অফ’?
৩.
নিজস্ব কোনো যুদ্ধ নেই আর
যেটা শুরু করবে বলে শান দিচ্ছ
তলোয়ার, টানছো ফেশিয়াল রেজার
উঁচু করছো বুক, থামিয়ে রাখছো কথা
কয়েক সেকেন্ড, কয়েক মিলিমিটার
শ্যাম্পু পারফিউমের তীব্র ঠাপ
বিকট শব্দ ফুটবে এখন
ভাত, গ্যাস, পানি আর
আমার জমিয়ে রাখা বিদ্যুৎ
৪.
সবই ধারণ করা সম্ভব শরীরে
হৃদয়ে জায়গা অল্পই,
শুক্রবারের ক্যাফেগুলোতে
বই, ল্যাপটপ হাতে যে তরুণী
আঁকতে চাচ্ছে স্মোকি ফ্লেভার
যে তরুণ ধরে রাখছে শিশ্নের ডগা
মাস্টারবেশন; কেউ একটা তোড়া
কারো কারো নাকে হয়তো লাগছে
অ-পজিশন রেণু, ক্লান্তি, মাংসের তেজ
সমস্তই ধারণ করা যায়,
নির্ণয় করা যায়,
কেননা হৃদয়ে জায়গা অল্পই
৫.
বিকালগুলো কাটে না আর
হেঁটে যাও, কাক ডেকে উঠুক
ফুটপাতে একটা মধ্যবয়স্ক নারী
তার খুপড়িতে টেনে নেক
একাধিক ড্রাইভার
ঘন লোম, বিকট গন্ধ
সূর্যও ঘেমে উঠুক এই প্লাবনে
বসো, ঘোড়াটি চলে যাক
বিকালটা শেষ হোক
১০টায় ফিরে যাব প্রমিস






