চতুর্থ মুখোশ – রঙের মনোবিজ্ঞান: সিনেমায় রঙের আবেগময় ভাষা সিনেমার চতুর্থ মুখোশটি হলো রঙের…
মানবীয় শ্রেষ্ঠত্ব কীভাবে সত্যায়ত হতে পারে? একক ব্যক্তি-মানবের শারীরিক-মানসিক-আত্মিক পুণ্যাভ-পূর্ণতা যখন তাঁর চতুষ্পার্শ্বের মানবমণ্ডলী, আন্যান্য…
১. বিষণ্ন মানুষ হয়ে যাচ্ছি তুমি হাল ধরেছো ঠিকই, শরীরের কাছাকাছি এনেছে কফির ঘ্রাণ আর…
আত্মপ্রতিকৃতি অনেক পথের চোয়ালে অনেক মারীর মুহূর্তে অনেক পান্থনিবাসে অনেক ব্যসনের খোপে অনেক মরচুয়ারিতে অনেক…
- সপ্তম শিল্পের মুখোশ: চলচ্চিত্রে শৈল্পিকতার নিরীক্ষা | এস এম কাইয়ুম [পর্ব ৪র্থ]
- বাংলা প্রবন্ধ চর্চার শৈলী-সমীক্ষণ, ‘দেশপ্রেম’- অনুষঙ্গে | ড. সন্দীপক মল্লিক
- এক গুচ্ছ কবিতা | হেমায়েত উল্লাহ ইমন
- যুগযাত্রার বিকার বা বিচ্যুতির বিবরণ | সৌম্য সালেক
- বোবা মাটির শরীর | শৈবাল নূর
- সবচেয়ে ঠান্ডা অন্ধকার | দিপংকর মারডুক
- ছেঁড়াপাতার একুশ | সোনিয়া তাসনিম
- ডেইলি পেসেঞ্জার | বিষ্ণু সরকার
admin
এ রইদ পোহানোর জন্য না, গা জুড়ানোর জন্যও না, এ রইদ উষ্ণতার জন্য না, থর থর করে শীতে কাঁপলেও এ রইদ আপনার জন্য না। রইদ চায় আপনি অস্বস্তিতে পড়ুন, উদ্রেক হন,বিব্রত হন, উদ্বিগ্ন হন, আর নিজের পৃথিবীতে আসার সৃষ্টির রহস্যে নিমগ্ন হন, আপনার ভেতর ভাবনার বুদবুদ জেগে উঠুক। আপনি তীব্র…
তিন রাস্তার মোড়। একটি রাস্তা গুদারাঘাটের দিকে উত্তরে গেছে, একটি পশ্চিমে, অপরটি বয়ে গেছে পুব দিকে। আমাদের বাড়ি এই তিন রাস্তার মোড়েই অবস্থিত। গুদারাঘাটের দিকের রাস্তার পিঠে একে একে অনেকগুলো দোকান। একেবারে ঘাট লাগোয়া জাফর কাকার দোকান। তারপর বড় দোকানটি সেলিম মিজির। তার বিপরীতে আবুল খায়ের কাকার দোকান। তারপর সোলায়মান…
আধুনিক কবিতা হচ্ছে মুক্ত কবিতা স্বতঃস্ফূর্ত কবিতা স্বাভাবিকভাবে যে কবিতা হৃদয়ের গভীর থেকে উচ্চারিত হয় এবং নিয়মিত ছন্দের বাইরের কাব্য স্বাভাবিক বা প্রাকৃতিক ছন্দে রচিত। আভিধানিক অর্থে আধুনিক কবিতা চিত্রকল্প বা স্বপ্নকল্প। আমি চিত্রকল্পকে নতুন শব্দে পরিচয় করিয়ে দেয় – স্বপ্নকল্প, স্বপ্নকল্প বলার মধ্যমে এর গভিরতা আরও বৃদ্ধি পায়। অর্থাৎ…
সকালবেলা ছেলে-বউমা যখন অফিসে যাচ্ছে ঠিক তখনি ফোন বেজে উঠলো। কেউ মেসেঞ্জারে কল দিয়েছে। এরকম ব্যস্ত সমস্ত সময়ে এরকম কল সাধারণত বাংলাদেশ থেকে আসে, অস্ট্রেলিয়ার সাথে যাদের সময়ের ব্যবধানটা জানা নেই, তারা করে। চশমা চোখেই ছিল। দেখলাম শিবলু কল দিয়েছে। দরজা খুলে বাইরে গেলাম। বাইরে বৃষ্টিসহ হু হু বাতাস।…
১. নির্বাক চোখ— রাতের গভীরতাকে নিঃসঙ্গতা দিয়ে পরিমাপ করতে পারি নি। আমি যে নির্জনে দাড়িয়ে থাকা ঐ প্রাণহীন ইমারত; যার প্রতিটি অনুভূতির জানালায় বেদনার পেরেক মারা। ২. চোখ রেখেছো দু’চোখে তুমি, শ্বাস ফেলেছো বুকে, অশ্রু আমায় নিঃস্ব করেছে, কি এক অজানা সুখে।
বই: ধরো, শূন্য লেখক: শৈলজানন্দ রায় ধরন: বাংলা কবিতা পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৭২ পৃষ্ঠা মূল্য: ২৪১ প্রকাশনী: বেহুলাবাংলা আইএসবিএন:৯৭৮৯৮৪৫০৫১৭৯৮ সংস্করণ: প্রথম প্রকাশ, ২০২৪ Buy Now আন্তঃনগর ট্রেন প্যারামুটেশন এবং কম্বিনেশনের মধ্যে যে সামান্য তৃষ্ণাকাতর ভৌতদূরত্ব তার মাত্রা দিয়ে অনায়াসে যেতে পারে আন্তঃনগর ট্রেন! সেই ট্রেনের ছাদে দাঁড়ালে ক্ষুদ্র পরিবর্তন মনে…
In a busy neighborhood of Dhaka lived a Bengali boy named Arif. Arif was a little different from the other children. While many boys loved to play football or fly colorful kites, Arif often stopped to listen to the birds. He listened to the sparrows singing in the morning. He…
আমরা নিজেদেরকে শুন্যতার ডায়রি থেকে সঁপে দিয়েছিলাম উপকূলহীন নাগরিক সমুদ্রে যেখানে নিজেদের হারিয়ে ফেলার মতো তীব্র অসুখ আর স্বেচ্ছায় নির্বাসনের ক্ষতের মধ্যেও রঙ খুঁজে খুঁজে এই স্মৃতির সুরঙ্গ বেয়ে যে জীবনের অমৃত বের হয়ে আসে একটু আলোর আশায় সে আলোর ধারাকে কিভাবে উপেক্ষা করবে, কিভাবে….???
যেন আমি— শীতনিদ্রা যাপন শেষে কোলাব্যাঙ যারপরনাই হুড়মুড়িয়ে আসা বর্ষান্ধকার আমিই একটা শকুন নিবিড় পরিচর্যায় থাকা পাহাড়ের শিকারী ঝাঁঝালো কণ্ঠে পাল্টা প্রশ্ন লতায় ঝুলে-দুলে থাকা বাতাসী ঝুমকোলতা বহুদিন পর খোলা কাঁসার ঘটিবাটি ছুটে চলেছে পুকুরের জলে টপাটপ মায়ের নতুন শাড়ি পুরাতনী বয়সের…
তখনো আমার দুধদাঁত পড়েনি, ঘাসফড়িং প্রিয় হয়ে উঠলো। তারপর গঙাফড়িং প্রিয় হয়ে উঠতেই সবগুলো দাঁত একে একে পড়ে গেল। ইঁদুরের কাছে প্রার্থনা করেছিলাম— এক একটি পড়া দাঁতের বিনিময়ে, তারপর শুরু আমার দাঁতের খেল্ ধানের গোলা কাটতে কাটতে একদিন বেড়া কাটি, আরেকদিন সিঁদেল… এভাবে কাটতে কাটতে একদিন খালও কেটে ফেললাম, দেখি—…





