admin

তিন রাস্তার মোড়। একটি রাস্তা গুদারাঘাটের দিকে উত্তরে গেছে, একটি পশ্চিমে, অপরটি বয়ে গেছে পুব দিকে। আমাদের বাড়ি এই তিন রাস্তার মোড়েই অবস্থিত। গুদারাঘাটের দিকের রাস্তার পিঠে একে একে অনেকগুলো দোকান। একেবারে ঘাট লাগোয়া জাফর কাকার দোকান। তারপর বড় দোকানটি সেলিম মিজির। তার বিপরীতে আবুল খায়ের কাকার দোকান। তারপর সোলায়মান…

Read More

আধুনিক কবিতা হচ্ছে মুক্ত কবিতা স্বতঃস্ফূর্ত কবিতা স্বাভাবিকভাবে যে কবিতা হৃদয়ের গভীর থেকে উচ্চারিত হয় এবং নিয়মিত ছন্দের বাইরের কাব্য স্বাভাবিক বা প্রাকৃতিক ছন্দে রচিত। আভিধানিক অর্থে আধুনিক কবিতা চিত্রকল্প বা স্বপ্নকল্প। আমি চিত্রকল্পকে নতুন শব্দে পরিচয় করিয়ে দেয় – স্বপ্নকল্প, স্বপ্নকল্প বলার মধ্যমে এর গভিরতা আরও বৃদ্ধি পায়। অর্থাৎ…

Read More

সকালবেলা ছেলে-বউমা যখন অফিসে যাচ্ছে ঠিক তখনি ফোন বেজে উঠলো। কেউ মেসেঞ্জারে কল দিয়েছে। এরকম ব্যস্ত সমস্ত সময়ে এরকম কল সাধারণত বাংলাদেশ থেকে আসে, অস্ট্রেলিয়ার সাথে যাদের সময়ের ব্যবধানটা জানা নেই, তারা করে। চশমা চোখেই ছিল। দেখলাম শিবলু কল দিয়েছে। দরজা খুলে বাইরে গেলাম। বাইরে বৃষ্টিসহ হু হু বাতাস।…

Read More

১. নির্বাক চোখ— রাতের গভীরতাকে নিঃসঙ্গতা দিয়ে পরিমাপ করতে পারি নি। আমি যে নির্জনে দাড়িয়ে থাকা ঐ প্রাণহীন ইমারত; যার প্রতিটি অনুভূতির জানালায় বেদনার পেরেক মারা। ২. চোখ রেখেছো দু’চোখে তুমি, শ্বাস ফেলেছো বুকে, অশ্রু আমায় নিঃস্ব করেছে, কি এক অজানা সুখে।

Read More

বই: ধরো, শূন্য লেখক: শৈলজানন্দ রায় ধরন: বাংলা কবিতা পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৭২ পৃষ্ঠা মূল্য: ২৪১ প্রকাশনী: বেহুলাবাংলা আইএসবিএন:৯৭৮৯৮৪৫০৫১৭৯৮ সংস্করণ: প্রথম প্রকাশ, ২০২৪ Buy Now আন্তঃনগর ট্রেন প্যারামুটেশন এবং কম্বিনেশনের মধ্যে যে সামান্য তৃষ্ণাকাতর ভৌতদূরত্ব তার মাত্রা দিয়ে অনায়াসে যেতে পারে আন্তঃনগর ট্রেন! সেই ট্রেনের ছাদে দাঁড়ালে ক্ষুদ্র পরিবর্তন মনে…

Read More

আমরা নিজেদেরকে শুন্যতার ডায়রি থেকে সঁপে দিয়েছিলাম উপকূলহীন নাগরিক সমুদ্রে যেখানে নিজেদের হারিয়ে ফেলার মতো তীব্র অসুখ আর স্বেচ্ছায় নির্বাসনের ক্ষতের মধ্যেও রঙ খুঁজে খুঁজে এই স্মৃতির সুরঙ্গ বেয়ে যে জীবনের অমৃত বের হয়ে আসে একটু আলোর আশায় সে আলোর ধারাকে কিভাবে উপেক্ষা করবে, কিভাবে….???

Read More

যেন আমি— শীতনিদ্রা যাপন শেষে কোলাব্যাঙ যারপরনাই হুড়মুড়িয়ে আসা বর্ষান্ধকার        আমিই একটা শকুন নিবিড় পরিচর্যায় থাকা পাহাড়ের শিকারী ঝাঁঝালো কণ্ঠে পাল্টা প্রশ্ন লতায় ঝুলে-দুলে থাকা বাতাসী ঝুমকোলতা বহুদিন পর খোলা কাঁসার ঘটিবাটি ছুটে চলেছে পুকুরের জলে টপাটপ            মায়ের নতুন শাড়ি পুরাতনী বয়সের…

Read More

তখনো আমার দুধদাঁত পড়েনি, ঘাসফড়িং প্রিয় হয়ে উঠলো। তারপর গঙাফড়িং প্রিয় হয়ে উঠতেই সবগুলো দাঁত একে একে পড়ে গেল। ইঁদুরের কাছে প্রার্থনা করেছিলাম— এক একটি পড়া দাঁতের বিনিময়ে, তারপর শুরু আমার দাঁতের খেল্ ধানের গোলা কাটতে কাটতে একদিন বেড়া কাটি, আরেকদিন সিঁদেল… এভাবে কাটতে কাটতে একদিন খালও কেটে ফেললাম, দেখি—…

Read More

আমাদের বোধের সূর্য যুক্তিহীনতার চাদর মুড়ি দিয়ে চলে গেছে গভীর শীতনিদ্রায়…। আর বোধহীন আততায়ীরা নাঙা তলোয়ার হাতে আমাদের উপত্যকা ও অরণ্য জুড়ে- আনতে চলেছে মধ্যযুগীয় বর্বর চেঙ্গিস খানের অন্ধকার…! পাতাঝরা দিন এলে- চিরহরিৎ বৃক্ষের পাতারা ‘হারি-কিরি’ শেখে সবুজ খুনে ভেসে যায় আমাদের ধূসর অরণ্য! গাইয়ে পাখিরা মরে যায় অথবা চলে…

Read More