admin

আমরা নিজেদেরকে শুন্যতার ডায়রি থেকে সঁপে দিয়েছিলাম উপকূলহীন নাগরিক সমুদ্রে যেখানে নিজেদের হারিয়ে ফেলার মতো তীব্র অসুখ আর স্বেচ্ছায় নির্বাসনের ক্ষতের মধ্যেও রঙ খুঁজে খুঁজে এই স্মৃতির সুরঙ্গ বেয়ে যে জীবনের অমৃত বের হয়ে আসে একটু আলোর আশায় সে আলোর ধারাকে কিভাবে উপেক্ষা করবে, কিভাবে….???

Read More

যেন আমি— শীতনিদ্রা যাপন শেষে কোলাব্যাঙ যারপরনাই হুড়মুড়িয়ে আসা বর্ষান্ধকার        আমিই একটা শকুন নিবিড় পরিচর্যায় থাকা পাহাড়ের শিকারী ঝাঁঝালো কণ্ঠে পাল্টা প্রশ্ন লতায় ঝুলে-দুলে থাকা বাতাসী ঝুমকোলতা বহুদিন পর খোলা কাঁসার ঘটিবাটি ছুটে চলেছে পুকুরের জলে টপাটপ            মায়ের নতুন শাড়ি পুরাতনী বয়সের…

Read More

তখনো আমার দুধদাঁত পড়েনি, ঘাসফড়িং প্রিয় হয়ে উঠলো। তারপর গঙাফড়িং প্রিয় হয়ে উঠতেই সবগুলো দাঁত একে একে পড়ে গেল। ইঁদুরের কাছে প্রার্থনা করেছিলাম— এক একটি পড়া দাঁতের বিনিময়ে, তারপর শুরু আমার দাঁতের খেল্ ধানের গোলা কাটতে কাটতে একদিন বেড়া কাটি, আরেকদিন সিঁদেল… এভাবে কাটতে কাটতে একদিন খালও কেটে ফেললাম, দেখি—…

Read More

আমাদের বোধের সূর্য যুক্তিহীনতার চাদর মুড়ি দিয়ে চলে গেছে গভীর শীতনিদ্রায়…। আর বোধহীন আততায়ীরা নাঙা তলোয়ার হাতে আমাদের উপত্যকা ও অরণ্য জুড়ে- আনতে চলেছে মধ্যযুগীয় বর্বর চেঙ্গিস খানের অন্ধকার…! পাতাঝরা দিন এলে- চিরহরিৎ বৃক্ষের পাতারা ‘হারি-কিরি’ শেখে সবুজ খুনে ভেসে যায় আমাদের ধূসর অরণ্য! গাইয়ে পাখিরা মরে যায় অথবা চলে…

Read More

কমলাপুরের ভোর ভোরের কমলাপুরে বাতাস বইতে দেরি হয়ে যায়। পাখিরা উঠবে আগে, তারপর মাঠে মাঠে নামবে মানুষ। তিল আর তিসি, আর তার সবুজাভ ক্ষেত এখন পুরনো গল্প হয়ে বাটে বাটে ঘোরে শীতের আসার আগে ঘরে ঘরে বীজের প্রবেশ মায়েরা তখন বীজ তুলে রাখে পাটের শিকায়। কামারখালের জলে গেঁথে আছে বাঁশের…

Read More

মানুষ-মাত্রই একটা সময়ের প্রতিনিধি। যে সময়টা সে অতিক্রম করে, যে জীবন যাপন করে— তার ভেতরে আলো ফেলার মতো উপাদানের কমতি থাকে না। প্রয়োজন শুধু দেখার মতো একজোড়া চোখ। কবি-সাহিত্যিকেরা এ কারণেই নমস্য যে তারা সময়ের অলিগলিতে আলো ফেলতে জানেন। টেনে-হিঁচড়ে এমন সব ঘটনা বের করে আনেন যা সাধারণের দৃষ্টিতে হয়তো…

Read More

বুড়িগঙ্গা আবার বুড়িগঙ্গা… চাঙ্খার পুলের উঁচুতে চাঁদ- দেখবি। পকেটভর্তি অসুখ আর নৈঃশব্দ্য; বদল হতে হতে কাঁটাবন, জিরোজিরো বেইলিরোড। আরও কত কি… আয় বিয়ে করি― হানিমুনে তুমুল প্যারাডক্স হোক… পায়ের আঙুলে লিখি- তুমি + আমি। সেই হাতের লেখার মতো পাপ ভেসে যায়। সমুদ্র, পুরুষ নাকি জল আর তুই- পাখি নাকি নির্ঝর…

Read More

দ্বৈরথ তোমার আগুন ফুল ও ফণা হয়ে দুলে ওঠে— ব্যাখ্যার অতীত এই সুবাস আর ছোবলের দ্বৈরথে দাঁড়িয়ে ভাবি, উপলব্ধির এক অদৃশ্য ক্যানোলা দিয়ে কী নিপুণা, ঢুকিয়ে দিচ্ছ প্রেম— বইয়ে দিচ্ছ অপাপবিদ্ধ যৌনতার ধারা— প্রতিটি মুহূর্তে আমার কেবলই তোমাকে ইচ্ছে করে— অনিবার্য ইচ্ছে প্রবাহিত হতে থাকে কল্লোলিত ধমনীর ভেতর— আর দেখো,…

Read More

হন্তারক মানুষই বৃক্ষের হন্তারক এমন মৃত্যু বৃক্ষের কার হাতে হতে পারে আর এমন কে মুছে নিতে পারে স্নিগ্ধ শরীর থেকে সমূহ লতা-পাতা-পুষ্পিত সৌরভ কি নিদারুণ মানুষই হয়ে ওঠে বৃক্ষের পালক শৈশবের স্নেহছায়া সহসা সেই হাত সঙ্গীন হাতে উলঙ্গ নির্মম প্রশ্ন ভালোবাসা মুহুর্তেই উষ্ণতা হারিয়ে ফেটে যেতে পারে যেন পেঁজা তুলো…

Read More