যেন আমি—
শীতনিদ্রা যাপন শেষে কোলাব্যাঙ
যারপরনাই হুড়মুড়িয়ে আসা বর্ষান্ধকার
আমিই একটা শকুন
নিবিড় পরিচর্যায় থাকা পাহাড়ের শিকারী
ঝাঁঝালো কণ্ঠে পাল্টা প্রশ্ন
লতায় ঝুলে-দুলে থাকা বাতাসী ঝুমকোলতা
বহুদিন পর খোলা কাঁসার ঘটিবাটি
ছুটে চলেছে পুকুরের জলে টপাটপ
মায়ের নতুন শাড়ি
পুরাতনী বয়সের তুলনায় নিখুঁত প্রাণশক্তি
তুলে রাখা রেহালে পবিত্র বইয়ের পাতা
একা একটি কবিতা আমি
অনেক অক্ষম আক্রোশে নিজেকেই পড়ি।
আমি বসে থাকি—
কেননা আমার পায়েরা আখরোট জমায়
কানগুলো সজাগ থাকবে বলেই, ভুলে যায়
চোখের ভাষা আন্দোলন করে নিজের ভিতরে!
অথচ লোকগুলো কথা বলে
মাছির মতো
যেন সদ্য জন্মানো হাম্বা বাছুর!
আমিই শেষ তবে—
আপাতত সঙ্গত ভাষা বুঝতে পারছি না, জনগণ!
