তিন রাস্তার মোড়। একটি রাস্তা গুদারাঘাটের দিকে উত্তরে গেছে, একটি পশ্চিমে, অপরটি বয়ে গেছে পুব…
আধুনিক কবিতা হচ্ছে মুক্ত কবিতা স্বতঃস্ফূর্ত কবিতা স্বাভাবিকভাবে যে কবিতা হৃদয়ের গভীর থেকে উচ্চারিত হয়…
সকালবেলা ছেলে-বউমা যখন অফিসে যাচ্ছে ঠিক তখনি ফোন বেজে উঠলো। কেউ মেসেঞ্জারে কল দিয়েছে।…
১. নির্বাক চোখ— রাতের গভীরতাকে নিঃসঙ্গতা দিয়ে পরিমাপ করতে পারি নি। আমি যে নির্জনে দাড়িয়ে…
- স্মৃতিতে অম্লান: এ পৃথিবী একবার পায় তারে, পায় নাকো আর | শাহ্ কামাল
- আধুনিক কবিতা কী | ফয়সাল আহমেদ
- জেনে শুনে বিষ করেছি পান | দীলতাজ রহমান
- অশ্রু আমায় নিঃস্ব করেছে | মোহাম্মাদ রাসেল ভুলু
- কবিতার বই ‘ধরো শূন্য’ | শৈলজানন্দ রায়
- The Boy Who Wanted to Understand the World | Zsuzsanna Csoma
- উপকূলহীন নাগরিক সমুদ্র | নীল নিষাদ
- জনগনের ভাষা | স্নিগ্ধা বাউল
admin
কমলাপুরের ভোর ভোরের কমলাপুরে বাতাস বইতে দেরি হয়ে যায়। পাখিরা উঠবে আগে, তারপর মাঠে মাঠে নামবে মানুষ। তিল আর তিসি, আর তার সবুজাভ ক্ষেত এখন পুরনো গল্প হয়ে বাটে বাটে ঘোরে শীতের আসার আগে ঘরে ঘরে বীজের প্রবেশ মায়েরা তখন বীজ তুলে রাখে পাটের শিকায়। কামারখালের জলে গেঁথে আছে বাঁশের…
মানুষ-মাত্রই একটা সময়ের প্রতিনিধি। যে সময়টা সে অতিক্রম করে, যে জীবন যাপন করে— তার ভেতরে আলো ফেলার মতো উপাদানের কমতি থাকে না। প্রয়োজন শুধু দেখার মতো একজোড়া চোখ। কবি-সাহিত্যিকেরা এ কারণেই নমস্য যে তারা সময়ের অলিগলিতে আলো ফেলতে জানেন। টেনে-হিঁচড়ে এমন সব ঘটনা বের করে আনেন যা সাধারণের দৃষ্টিতে হয়তো…
বুড়িগঙ্গা আবার বুড়িগঙ্গা… চাঙ্খার পুলের উঁচুতে চাঁদ- দেখবি। পকেটভর্তি অসুখ আর নৈঃশব্দ্য; বদল হতে হতে কাঁটাবন, জিরোজিরো বেইলিরোড। আরও কত কি… আয় বিয়ে করি― হানিমুনে তুমুল প্যারাডক্স হোক… পায়ের আঙুলে লিখি- তুমি + আমি। সেই হাতের লেখার মতো পাপ ভেসে যায়। সমুদ্র, পুরুষ নাকি জল আর তুই- পাখি নাকি নির্ঝর…
দ্বৈরথ তোমার আগুন ফুল ও ফণা হয়ে দুলে ওঠে— ব্যাখ্যার অতীত এই সুবাস আর ছোবলের দ্বৈরথে দাঁড়িয়ে ভাবি, উপলব্ধির এক অদৃশ্য ক্যানোলা দিয়ে কী নিপুণা, ঢুকিয়ে দিচ্ছ প্রেম— বইয়ে দিচ্ছ অপাপবিদ্ধ যৌনতার ধারা— প্রতিটি মুহূর্তে আমার কেবলই তোমাকে ইচ্ছে করে— অনিবার্য ইচ্ছে প্রবাহিত হতে থাকে কল্লোলিত ধমনীর ভেতর— আর দেখো,…
হন্তারক মানুষই বৃক্ষের হন্তারক এমন মৃত্যু বৃক্ষের কার হাতে হতে পারে আর এমন কে মুছে নিতে পারে স্নিগ্ধ শরীর থেকে সমূহ লতা-পাতা-পুষ্পিত সৌরভ কি নিদারুণ মানুষই হয়ে ওঠে বৃক্ষের পালক শৈশবের স্নেহছায়া সহসা সেই হাত সঙ্গীন হাতে উলঙ্গ নির্মম প্রশ্ন ভালোবাসা মুহুর্তেই উষ্ণতা হারিয়ে ফেটে যেতে পারে যেন পেঁজা তুলো…
রাজুকে ইশানি খুব আহ্লাদী কন্ঠে জিজ্ঞেস করে- রাজু দা বিলের অই মাঝখানে ফুটে থাকা বড় পদ্মটা আমায় এনে দিতে পারবে? তোমার সাহস আছে? রাজু কেবল স্কুল থেকে ফিরে মায়ের সাথে দেখা করতে যাচ্ছিলো ইশানিদের বাড়ি। রাজু হো হো করে হেসে ওঠে। ধুউর! এইডা তো ওয়ান – টু’র ব্যাপার। কহন তুইলা …
মাস দুই হলো নূপুর হুইলচেয়ারে। এ-রুমে ও-রুমে যাচ্ছে। যখন বিছানায় শুয়ে থাকে তখন হুইলচেয়ারটা খাটের পাশে আড়াআড়িভাবে রাখা থাকে। হুইলচেয়ারটা দেখলে মাঝে মধ্যেই নূপুরের মনটা বিষিয়ে যায়, কখনো বা দুঃখ-কষ্টে বুকটা উথলে উঠে। পা দুটো তখন যেন আরো শিরশির করতে থাকে। ওর পায়ের পাতা ধীরে ধীরে আরো শুকিয়ে যাচ্ছে। পায়ে…
কারো চঞ্চলতা যদি অসীম নিরবতাকে স্পর্শ করে তবে সে নীরবতা নেমে আসুক সমস্ত জগৎ জুড়ে। অস্তিত্বের অবগাহনে একবার ঘুরে আসুক— আমার নির্বাক ভালোবাসার পিরামিডে আশ্রিত লালিত স্বপ্ন; মখমলের আলতো পরশ ছুঁয়ে যাক অসস্পষ্ট নীলিমার একাকিত্ব; কী চঞ্চলতা আহা ! দৃষ্টির আড়ালে লুকানো স্পর্শকাতর কথাগুলো- কবিতা কিংবা গানের গল্প হয়ে ওঠতে…
বিশুষ্ক প্রান্তরের গান শোভনা, বিশুষ্ক প্রান্তরে তুমিও-কি শুষে নাও? বিনিদ্র রাতের বাসর— নিয়েছো সব রঙ আকাশের, সোনালু ফুলের আর দিগন্ত-বিহারী নীল-নীলিমার? হলুদ পোষাকের আদল পালটে যায় তোমার— খুলে ফেলো নিমিষেই উদোম সমুদ্রের মতো, পাহাড়ী-প্রদেশ ছেড়ে উড়ে এসে ধরা দাও আমার মস্তিষ্কের খিলানে? ঝড়ের তাণ্ডব ছেড়ে অসময়ে অসমীয়া মেঘ ওরে! নীল…
কথাসাহিত্যিক জাহীদ ইকবালের ‘কয়েকজন খবিশ’ (২০২৬) একটি অসাধারণ গল্পসংগ্রহ যা বাংলাদেশের প্রান্তিক জীবনের অন্ধকার কোণগুলো আলোকিত করে। নয়টি গল্পে লেখক সামাজিক বাস্তবতার নিখুঁত চিত্রকল্প তৈরি করেছেন যেখানে ‘খবিশ’ শুধু চরিত্রদের অনৈতিক কর্ম নয়, বরং সিস্টেমিক সহিংসতার পরিণতি। আমেরিকান লেখক ফ্লানারি ও’কনর তার গল্পগুলিতে যেভাবে দক্ষিণ আমেরিকার সীমান্তবর্তী এবং প্রান্তিক জীবন…