ধরো…
সিঁড়ি ভাঙার অংকে তুমি প্রথম হলে!
যদি বলি, সিঁড়ি নয় আমার বুকের পাঁজর ভেঙেছ…
চারিদিকে জমাট বাঁধা ঘন কুয়াশায়
কোথাও যেন চটুল হিন্দি গান বাজছে.
‘পেয়ার তো হোনা হি থা’, হতে পারতো, কিন্তু হল না তো!
তোমার ঈষৎ ঝুলে পড়া বুকে কান পেতে শুনি,
কলস দ্বীপের মাঝ বরাবর মৃত্যু উপত্যকায় হেঁটে যাওয়া
স্খলিত হরিণীর ডাক!
জরায়ুর মাংস খোবলানো নষ্ট ভ্রূণের লাব-ডুব দুন্দুভি!
একটা গাছ আর তাকে ঘিরে জীবনের কথা বলা!
সিঁড়িটার শেষ মাথায় তখন জ্যান্ত এক অজগর,
গিলে ফেলে আমাদের প্রেম-জন্মভূমি-ধ্রুবতারা!
কবিতার গা বেয়ে হামাগুঁড়ি দেওয়া চলে…
গোলাপের স্মৃতি বুকে করে নিয়ে,
এক ঝাঁক শালিকেরা রাত পোহায়।
মনে করি আমি, পাশে তুমি নেই, আছে কোন শঙ্খচিল!
একই বিছানাতে অ্যালার্ম ঘড়ি সেজে,
নিঃশব্দে সময়ের গোঁফে তা দেয়, জ্বলে ওঠা কোন মহাকাশযান।
সিঁড়ি ভাঙা অংকে, জিতেছ তুমি
নৈঃশব্দ্য তোমার নাম ধরে ডাকে এখন…অনন্ত…অনন্ত!






