আড্ডা ও অমানিশা
‘সমাজে জ্ঞানের চর্চা কমছে।.. জ্ঞানের কদর সমাজে কমছে। জ্ঞানে কাজ হয় না,
কাজ হয় টাকায়। জ্ঞানী লোকদের সম্মান নেই, টাকাওয়ালাদের আছে।’
–সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী,
[‘জীবনই জয়ী হবে’, বিশেষ আয়োজন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষ, ২৬ মার্চ, ২০২১ খ্রি., শুক্রবার।]
বৈশাখের সকাল। দক্ষিণডাঙির মোড়ের দোকানগুলো খোলা শুরু হয়েছে। স্বামী ছাড়া সধবা বউ সুশ্রী দেবলার চায়ের দোকান অন্য দোকানগুলো থেকে একটু দূরে। ওর দোকানে সকালে ও সন্ধ্যায় চা খেতে আসে তারাই, যারা মাছের ঘেরে মাছের চাষ করে, যারা ভেড়িবাঁধে নানান সব্জির চাষ করে, যারা ভোরে বাইপাসে গিয়ে মাছ কিনে বিভিন্ন অঞ্চলে এবং বাজারে বিক্রি করে। কৃষক, দিনমজুর, মিলশ্রমিক, কাঠমিস্ত্রি, রঙমিস্ত্রিরাও সকালে এসে চা খায় দেবলার দোকানে। অনেকে তো ১ ঘণ্টা ধরেও আড্ডা দেয়। অবশ্য বিকেলেও আড্ডা বসে। সন্ধ্যেয় ও রাতে তো কথা নেই! জমে আনন্দময় আড্ডা। চা, পান ও সিগারেটের সাথে টিভি দেখাও চলে। ২ সেট তাসাড়–ও তাস খেলে সময় কাটায় দেবলার দোকানের উত্তর পার্শ্বের ছোট্ট বারান্দায় বসে। রাত ১০ টা অবধিই চলে এমন যৌথ আড্ডা। করোনাকালে অবশ্য বেশিরাত পর্যন্ত কেউ থাকে না!
আর মাস্ক ? বেশির ভাগ মানুষ তো কান পেচিয়ে গলায় ঝুলিয়েই রাখে স্টাইল দিয়ে। বাই চান্স পুলিশ এসে পড়লে মাস্কে মুখটা ঢেকে নেয়।
দেবলার চায়ের আড্ডায় বিনয়ও প্রায় প্রতিদিন আসে। আজ সকালে একেবারে আগেই এসে বসেছে সে দোকানের এক কোণায় বারান্দার বেড়ার একটা বাঁশের খুঁটিতে ঠেঁস দিয়ে। মাস্কটা তার গলায় ঝুলছে। ওদিকে দেবলা চায়ের জল গরমে দিয়েছে।
বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, বিল অঞ্চলের বর্ধিষ্ণু এই গ্রাম এবং আরও ৪/৫ গ্রামের মোড়ে মোড়ে দেবলার চায়ের দোকানের মতো দোকান আছে, তা প্রায় ১০০ খানেক তো হবেই! গ্রামের মানুষেরা এখন চা পান করা শিখেছে বহাল তবিয়তে। ব্যক্তিক-সামাজিক-রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক টুকটাক আলোচনাও কিন্তু চলে এ-সব আড্ডায়। কারণ, আলাদা সময আর কারো নেই! সারাদিন প্রায় কাজেই থাকতে হয় সবার।
বিনয়ের মনটা খারাপ! ৪ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়েও তার একমাত্র ছেলে অনুপের চাকরিটা হলো না! এখন টাহা ফেরত দেয়ার চুক্তি হয়েছে! তিন বছর ধরেই চলছে টাকা ফেরত পাওয়ার টালবাহানা।
বিনয়ের পর্যবেক্ষণ- ঘুষ দেয়া ও খাওয়ার পদ্ধতিতে ২/৩ টি ধাপ আছে। ২/৩ জনই থাকে ধাপে ধাপে। জমির দালাল শঙ্করের জামাই তপনই টাকাটা নিয়েছিলো। বছরখানেক ধরে প্রাণভরা কথা বলতে বলতেই বিনয়ের মন জয় করেছিলো তপন! সে কী পিরিতি!
একদিন তপনের হাতেই টাকাটা তুলে দিয়েছিলো বিনয়। আর দেবেই বা না কেন ? হোমরা-চোমরা সাহেব-সুবোরাও তো ঐ সময় ঘুষ খাওয়ার দলে ছিলো! অবশ্য ওদের গ্রামে এমনিভাবে অনেকেই তো চাকুরি পেয়েছে।
কিন্তু ঘাপলা বাঁধলো শালা বিনয়ের বেলায়!
একমাত্র ছেলে অনুপের ভাগ্যটাই খারাপ! নিম্ন পদের এক পিওনের চাকুরিটাও জুটলো না ওর! সত্যিই বেকায়দায় পড়েছে বিনয়!
হাটখোলা বাজারের ব্যাংকে ঋণদান কর্মসূচির একজন দালালরূপেই যাহয় কিছু পায়, তাই দিয়েই সংসার চালায় বিনয়। আর যেটুকু ইরিধানের জমি আছে, তার ধানেই ৬ মাস মোটামুটি চলে যায়। যাহোক, আদরভরা ছেলের চাকুরি পাওয়ার বেলাতেই তো এসে ধরা খেয়েছে বিনয়! গ্রামের ২ টি সমিতি থেকে নির্ধারিত ৪ লক্ষ টাকার লোন নিয়েই ঐ ঘুষের ব্যবস্থা করেছিলে সে!
ইতোমধেই বিনয়ের হাতে চা তুলে দিয়েছে দেবলা।
পাড়ার রমেন, দীপেন বিপরীত বেঞ্চে বসে চা খাচ্ছে। অবশ্য এরা বেশিক্ষণ চায়ের দোকানে কেউ থাকতেই পারবে না! যে যার কাজে সবাইকে উঠে পড়তেই হবে। মোটামুটি সকাল ৯ টার মধ্যেই প্রায় সব চায়ের দোকান বন্ধ হয়ে যায়! যেসব দোকানদার চায়ের সাথে মনোহারী জিনিসপত্র এবং সব্জি বিক্রি করে, তারাই মোটামুটি দোকান খোলা রাখে ।
কাঠমিস্ত্রী রমেন চা খেতে খেতে জিজ্ঞেস করলো – বিনয় দা, দিনকাল কাট্তেছে কী এরে ?
– ‘ওরে সে কতা আর কোশ্ নে .. কী যে ছোচোনে পড়িছি আমি! কারো কিছু কতিও পাত্তিছিনে! মরিছি অ্যাহেবারে! -বিনয়ের খেদ!
বিনয় আরও বললো- শোন্, আই.এ. পাশ ছাবালের জন্যি কয়েক লাখ টাহা ঘুষ দিছি। কিন্তু চাকরি অলো কই ? টাহা অ্যাহোন ফেরতও পাচ্ছি নে। কী জ্বালায় পড়িছি, বুঝ্দিছির ?
রমেন বললো- ‘হ্যাঁ, এই অঞ্চলে কতোজন যে এইরাম ফতুর অয়ছে! ঠিকমতো লাইন না পাইয়ে টাহা তো মারই গেছে অনেকের! আবার অনেক চদু বা বোকা বা পার্টলেস ছ্যামড়া তো ঘুষ দিয়ে দিব্যি ঠ্যাঙের পরে পা তুলে দিয়ে চাকরি কত্তেছে বিভিন্ন অফিসি। ঐ যে টাউনির ধারে ঐ টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে তো কম্পিউটার না জানা দীপক চাকরি পাইয়ে গেছে বহাল তবিয়তে। দীপকের পদের নাম ‘কম্পিউটার টাইপিস্ট’! ওর ঘুষির টাহাডা কিন্তু ভালো যায়গায় পড়িলো!’
রঙমিস্ত্রী স্বপন ত্বরিৎ গতিতে প্রবেশ করলো আড্ডায়। একটু মোটা গলায় বললো, ‘ওরে শোনোছো সবাই ? -জমির দালাল তপন ধরা খায়ছে! গতকার সন্ধ্যে রাত্তিরি ইজিবাইক নিয়ে একদল হাজির অইলো লাখোহাটিত্তে। ৪ জন আসে তো বানান্কায়ছো ভালোমতোন! কিল-চড়ও খাায়ছে তপন! কতা কাটাকাটি চালাতি চালাতি আর কাজাতি কাজাতি ২ জন আসে তো চড়-ঘুষি মাত্তি লাগলো! অমিতির দোকানে আমরা বসে ছিলাম। যাইয়ে ঠ্যায়ার্নে আগেই মার খাওয়া শেষ! ওরা কতি লাগলো- তপন আমাগে ৩ জনের কাছ্ তে ১২ লক্ষ টাহা নিয়ে আয়ছে বছর ২ আাগে, চাকরির কতা কয়ে।’
বিনয় বলে উঠলো, ‘শালা, চদু খালি আমি না! লাখোহাটি গ্রামেও চদুর সংখ্যা কোম্ না তায়ালি! তপনের আহে ওরাও খায়ছে ধরা! হে- হে’
রমেন আবার বললো, ‘পশ্চিম পাড়ার সজীব কিন্তু কম্পিউটার টাইপিস্ট পদে চাকরি পায়ে গেছে। ভাগ্য ভালো। কার মাধ্যমে ঘুষ দিলো, তা খেডা জানে! তবে, টেকনিক সব অ্যাক। যারা চাকরি পাইয়ে যায়, তারা কিন্তু আর মুখ খোলে না! ঠারোনতলার বাবুলও ক্লার্কের চাকরি পায়ছে একই স্টাইলে। বাবুলতো চাকরিতি আরও ২ জনরে ঢুুয়োয়ছে ওর বস্কে টাহা গেলাইয়ে। কী দারুন সিস্টেম, বিনয়দা! তাই না ? ’
বিনয় প্রশ্ন করলো, ‘তুই কোন্ বাবুলির কতা কচ্ছির ? -যে তার বৌদির সাথে ফস্টি-নস্টি অ্যারে, সেইতির ? ’
‘হ্যাঁ, হ্যাঁ – আর কয়ে না’ স্বপন উত্তর দিলো।
বিনয় বললো , ‘ভালো। বাবুলির সবদিকই ফ্রেশ! ও অ্যাহোন হাট-বাজার করে খাচ্ছে, আবার সুখও পাচ্ছে জুৎ-মতো। কী আর কবো, কও ? আমার ছাবালডাই কেবল বাঁশ খাইয়ে গ্যালো!
স্বপন চা খেতে খেতে আবার বলে উঠলো কিন্তু তোমাগে নামযজ্ঞ, হরিসম্মেলন, ’পুন্নিম(পূর্ণিমা)-এর আড়ং সব তো দেখতিছি ঠিকমতো চলতেছে জোরালোভাবে!
-এ টেকনিকি কি জীবনের কোনো সুবিধে বাড়তেছে ? আবার আধ্যাত্মিক জ্ঞানডাই ঠিক কী জিনিস, কতি পারো, দাদা ? প্রায় বাড়িতি তো পাকা মন্দির তৈরি অচ্ছে, ওদিকি আবার ঘুষ-টুশ দিয়ে চাকরি পাওয়ার পারসেন্টেজও বাড়তেছে! প্রায় সব ধরণের চাকরি, বদলি সব তো দেখতিছি টাহার খেলায় চলতেছে! অ্যাক গাদা ঋণদান সমিতি আছে অঞ্চলে। ওহিনিত্তে লোন তুলে নিয়ে বা পোষা গরু বেচে কাম ফতে কত্তেছে মানুষ।
স্বপন আবার বললো, ‘ঐ ছাবাল-মাইয়েরাও জানে গেছে – বর্তমানের চাকরি পাওয়ার এমন সিস্টেমের কতা’
কিন্তু আমার ছাবালের বেলায় কী যে র্কবানি! টেনশানে মত্তিছি!
মাছবিক্রেতা দীপেন চুপচাপ চা খাচ্ছিলো। সে এবার বলে উঠলো, ‘জানো ? আমার জীবনবীমার টাহা মারে খায়ছে পুব পাড়ার সুকেশ। প্রায় পাঁচ বছর ধরে তার ফাছে লাগিছি, কিন্তু টাহা পালাম না! আমার পাওনা টাহা সে কী এরে তুলে খালো, কওদি ? ধরে কি অ্যাকদিন মারে দেবো ? সোজ্জো অয় না আর!’
চা খেতে খেতে বিনয় আবারও মুখ খুললো, বললো, ‘তা, তোরা কি দক্ষিণ ডাঙির শামেলার ছাবালের খবর রাহিস? ৩ বছর ধরে ধরা খাইয়ে বসে আছে ওরা! উপজেলার এক বড়ো নেতারে টাহা দিইলো ৩ লাখ। চাকরির কোনো লাইনই অলো না ওর! খেডা যে কন্থে কী অ্যাত্তেছে, বুঝিনে, ভাই! টাহা ফেরতও পাচ্ছে না ঠিক মতো, শোন্লাম। তলে তলে জ্ব’লে পুড়ে মত্তেছে ওরা। ভিতরের কতা তো কয় না! কী অ্যারবে ? পটাং চিৎ অ’য়ে অ্যহোন কিষেণ দিয়ে খাচ্ছে মা আর ছাবাল! ছাবালডা আবার সিগারেট টানায় ওস্তাদ! তলে তলে আরও কী সব খায়, ‘গেলে’, শুনিছি.. শামেলার ঘাড়ে চাপে’ ১৫ হাজার টাহার মোবাইলও বাগাইয়ে নেছে ওর ছাবাল। শুনিছি পাড়ার বিশিষ্ট ‘যুবনেতা’ প্রভাষের চ্যালা অ’য়ে গেছে সে!’
শামেলার বাড়ি রমেনের বাড়ির কাছেই। রমেন ওদের খবর আরও একটু পরিষ্কার করলো। বললো, ‘শামেলার ছাবালের নাম সমীর। ও আই.এ. পাশ করিলো। কিছুতি ভর্তিও অতি পারিনি! আমার ছাবালডা যেরাম নষ্ট অচ্ছে, ঐ সমীরও তেমনি গোল্লায় যাচ্ছে! জ্বালা – জ্বালা – শরীলির মদ্দি খালি জ্বালা! শালা মুখ খারাপ এরে কাজাতি ছ্যাত্তেছে! কী আর অ্যারবো, ক’ ?’
দীপেন আবার কথা না বলে থাকতে পারলো না! চায়ের গ্লাসে শেষ চুমুক দিয়ে সে বললো, ‘এবার ইরি ধানের অবস্থা ভালো। কিন্তু বিষ্টির জল তো নেই জমিতি! খালও শুহোয় গেছে! বিষ্টির কোনো খবরও নেই! কী যে অবেনে শেষকালে! গতবছরের মতো ধান কাটা-মলার সময় যদি বিষ্টি যদি নামে পড়ে! তায়ালি শেষ!’
ভাত আর খাতি অবে নানে। ঠিক কইছির তুই কী যে আছে ভাগ্যে! – রমেন বললো
। স্বপন বললো, ‘পাড়ায় পাডায়, গ্রামে গ্রামে আবার নামযজ্ঞ আর মতুয়া সম্মেলন শুরু অয়ছে। দিন দিন এ-সব কিন্তু বাড়ে চলেছে সমিতির লোন থাকলিও এ-সব কাজে কিন্ত কোম্ পড়তেছে না কেউ। করোনার মদ্দি প্রাইমারির ঝুৎ-পালাগে স্কুলির মদ্দি ল্যাহাপড়া না হলু মোবাইলিা ল্যাহাপড়া আর ট্রেনিং চলতেছে খুব। মার্স্টেরা তো পাগল অয়ে যাচ্ছে!’
বিনয় আবার বলে উঠলো, ‘ওরে আর অ্যাক্ কতা শোন- এট্টু সাইজমতো যারা চাকরি করে, তারা তো দেখতিছি দাও মাত্তেছে! কোম কাজ করে বেশি বেশি দুই নম্বরি টাহা আয় কত্তেছে সব। কাগজে-কলমে চাকরি ঠিক রাহে টাহায় ভরে ফ্যাল্তছে প্যাট! যে স্কেলে বেতন-কড়ি পাওয়ার কতা, তাতে তো বাড়ি বিল্ডিং দেয়ার কতা না! কী এরে এরাম আয় করে ? হে।
স্বপন খানিকটা হিসেবী কণ্ঠে উচ্চারণ করলো, ‘শুনিছি তলে তলে দুই নম্বরি আর বিভিন্ন ধরণের ঘুষির ব্যাপার আছে! যারা এট্টু বড়ো চাকরি করে, কেউ কেউ কাজ-উদ্দারের জন্যি উরগে কাছে নাহি পোটলা পোটলা টাহা নিয়ে আসে! অবশ্য প্রায় সব ডিপারমেন্টেই কেউ কেউ নাহি এইরাম আয়ের সিস্টেম বানাইয়ে নেছে! কিন্তু আমরা অ্যাল্লামডা কী ?’
দীপেন বললো, ‘ওরে, ওরাই তো আবার মতুয়া সম্মেলন, রাসলীলা, দুর্গাপুজোয় বেশি চাঁদা দেয়। মনে অয় মানসী অ্যারে বেশি বেশি দুই নম্বরি টাহা গেলার জন্যি! ধম্মো-কম্মো সব উপোদ্দে উপোদ্দে, বুঝলি ? ওরা বিল্ডিং দেচ্ছে, আবার ঠাউর ঘরও বানাচ্ছে ঢক দিয়ে! সব শালা পিচেশ! আমাগে গ্র্রামের সব পাড়ায় ইরগে সংখ্যা বাড়তি তালেই আছে! কিন্তু আমাগে অবেডা কী ?’
রমেন বললো, ‘ঠিক কয়ছো। দিনকাল সব এইরমই চলতেছে! দিন দিন মানুষ সব প’চে যাচ্ছে! সহ্য অয় না আর! আমরা শালা দুই নম্বরীও অ্যহোন তাক্তি পাল্লাম না! কী অ্যারবো ? বসে বসে আঙুল চুষি …’ বিনয় বললো, ‘ফাঁকতালে আমিই ধরাডা খালাম! অবশ্য আমার মতো আরও কেউ কেউ আছে! – কী আর কবো, ক’ ?…. নে, শালা, বাড়ি যাই, চল্, আড্ডা ভাঙ্ … মাছের ঘেরে যাতি অবে…’
হতাশাগ্রস্ত বিনয় আড্ডা ছেড়ে উঠে পড়লো। কিছুক্ষণ পর বাকীরাও যে যার কাজের লক্ষ্যে উঠে পড়লো।
সবার আত্মায় ভরপুর বর্তমানের সামাজিক পতন আর পচনের গন্ধ! সবার মনে ক্ষোভের বিন্যাস! সবার মননে হতাশার অমানিশা!
